পৃষ্ঠাসমূহ

শুক্রবার, ২৯ জুলাই, ২০১১

Mass Effect




ম্যাস ইফেক্ট গেমটি বের করেছে Electronic Arts আর গেমটি ডেভেলাপ করেছে BioWare সাইন্স ফিকশিন থার্ড পারসন শ্যুটিং গেমটির কাহিনী বিন্যাস অসাধারণ গেমটিতে অনেক নতুনত্ব দেখা যায় মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহ বিভিন্ন ভিনগ্রহের প্রাণীদের চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলা হয়েছে গেমটিতে
এর কাহিনী শুরু হয় ২১৮৩ সালে মহাকাশে পৃথিবীর প্রতিনিধিত্বকারী এক কমান্ডার শেফার্ডকে নিয়ে যে একসময় গেথ জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে নামে গেথরা এক ধরণের রোবট টাইপের  প্রানী যারা নিজেরা তাদের মালিকের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে সব সিসস্টেম দখল করে ফেলে ক্যাপ্টেন শেফার্ডকে আন্তর্জাতিক এলিয়েন কাউন্সিল সিটাডেল গেথদের বিরূদ্ধে অভিজানে যেতে অনুমতি দেয় তাই কমান্ডার তার ক্রু তার স্পেসশীপ নরম্যান্ডি নিয়ে বিভিন্ন ম্যাস রিলে মাধ্যমে গ্যালাক্সির বিভিন্ন গ্রহ ঘুরতে থাকে বিভিন্ন গেথ এক্টিভিটি খুজতে থাকে তাদের পরিকল্পনা ধ্বংস করতে থাকে এর মাঝে শেফার্ড দেখতে পায় গেথরা স্যারেন নামের একজনের হয়ে কাজ করছে এই স্যারেনের সাথে শেফার্ডের পুরোনো শত্রুতা ছিল শ্যারেন আর গেথেরা মিলে একটি প্রাচীন ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চাইছে……
 
ম্যাস ইফেক্ট গেমটির কাহিনী খুবই চমকপ্রদ কারণ এখন কমান্ডার শেফার্ড কেচো খুড়তে সাপ বেড় করে ফেলেছে বলা যায় আর কি! প্রায় ৫০ মিলিয়ন বছর আগে প্রোথিয়ান নামের এক জাতি বিলুপ্ত হয়ে যায় ওই সময় রিপার নামের আরেকটা জাতি প্রোথিয়ানদের বিলুপ্ত করে এরপর রিপারেরা হারিয়ে যায় বা নিজেদের লুকিয়ে ফেলে এই প্রোথিয়ানরাই সিটাডেল বিভিন্ন ম্যাস রিলে তৈরি করেছিল এবং তাদের টেকনোলজি এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে শেফার্ড প্রোথিয়ানদের তৈরি একটা কোড পায় যাতে বলা হয় রিপাররা আবারো এই সময়ে আক্রমণ চালাবে এবং আরেকটা জাতি ধ্বংস করে ফিরে যাবে আর তাদের এখন সহায়তা করছে গেথ আর শ্যারন এই ঘটনা জানার পর শেফার্ড সিটাডেলে জানাতে যায় সিটাডেলে গিয়ে দেখে রিপারেরা সেখানে আক্রমণ শুরু করে দিয়েছে সর্বশেষে শেফার্ড সেরেনকে হত্যা করে শেষ পর্যন্ত সিটাডেল ধ্বংস হয়ে যায় সর্বপুরি গেমটি অসম্পূর্ণভাবে শেষ হয়
 
গেমটিতে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্রের সাথে বায়োটিক পাওয়ারও থাকে এর মাধ্যমে সহজে শত্রুকে মেরে ফেলা যায় গেমটির কাহিনী নিজের মত করে চেঞ্জ করে নেয়া যায় একটা মিশনে শ্যেরেনের ক্লোনিং ফ্যাক্টরি ধ্বংস করার সময় শেফার্ডকে অ্যাশলি কিংবা ল্যাফটেনেন্ট কেইলেন এলেঙ্কোকে বাচাতে হয় অর্থাৎ এখানে চয়েজ দেয়া হয় কাকে বাচাবেন আর কাকে সেক্রিফাইস করবেন এর উপর ডিপেন্ড করে ম্যাস ইফেক্ট তে আ্যশলি কিংবা ল্যাফটেনেন্ট থাকে সর্বোপুরি গেমটি অনেক সমালোচকদের মন জয় করে নিয়েছে। যদি গেমটি না খেলে থাকেন তাহলে খেলে ফেলুন। আমার মনে হয় না এর আগে এ ধরণের সাইন্স ফিকসান গেম খেলেছেন আপনি। হ্যাপি গেমিং………………

গেমটির সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টস=>
Operating System:
Windows XP or Vista
Processor:
2.4+GHz Intel or 2.0+GHz AMD
Memory:
1 Gigabyte RAM (XP)
2 Gigabyte RAM (Vista)
Video Card:
NVIDIA GeForce 6 series (6800GT or better)
ATI 1300XT or better (X1550, X1600 Pro and HD2400 are below minimum system requirements)
Hard Drive Space:
12 Gigabytes
Sound Card:
DirectX 9.0c compatible sound card and drivers

Recommended System Requirements
Operating System:
Windows XP or Vista
Processor:
2.6+GHz Intel or 2.4+GHz AMD
Memory:
2 Gigabyte RAM
Video Card:
NVIDIA GeForce 7900 GTX or higher
ATI X1800 XL series or higher
Hard Drive Space:
12 Gigabytes
Sound Card:
DirectX 9.0c compatible sound card and drivers - 5.1 sound card recommended
read more "Mass Effect"

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১১

Assassin's Creed




সোর্ড ফাইটের অনেক রকমের গেমসই আমার খেলা হয়েছে কিন্তু এসাসিন্স ক্রীডের মত গেম খুব কমই আমার চোখে পড়েছে এখন ইউবিসফটের এসাসিন্স ক্রীড গেমটি জনপ্রিয়তার দিক থেকে প্রিন্স অফ পারসিয়া সিরিজকেও হার মানায় মূলত এখন পর্যন্ত এসাসিন্স ক্রীডের তিনটি ট্রিলজি বের হলেও আজকে আলোচনা করব এর প্রথম পর্ব এসাসিন্স ক্রীড নিয়ে
এই গেমসের মূল চরিত্র হচ্ছে ডেসমন মাইলস আলতাইর ইবন লা আহাদ ডেসমন মাইলস কে টেম্পলার রা অবস্টার্গো নামক ল্যাবরেটরিতে এনিমাস নামের একটি যন্ত্রের সাহায্যে ক্রুসেডের সময়কার এসাসিন আলতাইরের জীবন বৃতান্ত জানার জন্য বাধ্য করে এনিমাসের মাধ্যমে ডেসমনের DNA থেকে তার পূর্বপুরুষ আলতাইরের ঘটনা জানার জন্য তারা চেষ্টা করতে থাকে ডেসমন এনিমাস থাকাকালে আলতাইরকে নিয়ে বিভিন্ন  মিশন খেলতে হয় আলতাইর হচ্ছে ক্রুসেডের সময়কার এসাসিন ব্রাদারহুডের একজন সদস্য আল মুয়াল্লিমের নির্দেশে সে সমাজে অত্যাচারকারী বিভিন্ন টেম্পলারদের মারে

বিভিন্ন মিশনের মাধ্যমে গেমটির শেষের দিকে আলতাইর জানতে পারে আসলে আলমুয়াল্লিম তার দরকারের জন্য বিভিন্ন সময় টেম্পলারদের তাদের মাধ্যমে মেরে ফেলছে এবং পিস অফ ইডেন ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষকে তার জন্য ব্যবহার করছে এই জন্য গেমসের শেষে আলতাইর আলমোয়াল্লিমকে মেরে ফেলে অ্যাপল অফ ইডেন অন্য কোন জ়ায়গায় লুকিয়ে ফেলে পরবর্তীতে তা টেম্পলারদের হাতে আসলেও শেষে আবার এজিও আউদিতোরে দ্য ফেরেঞ্জে (Assassin’s Creed II III এর নায়ক) এটাকে গোপনে লুকিয়ে রাখেপিস অফ ইডেন আবার খুজে পাওয়ার জন্যই টেম্পলাররা ডেসমনকে দিয়ে তার পূর্বপুরুষ এসাসিনদের কাছে লুকানো পিস অফ ইডেনের লোকেসন খোজার চেষ্টা করে
এই গেমসের গেমপ্লে অন্যান্য সোর্ডফাইট গেমসের চেয়ে ভিন্নলুকিয়ে শত্রুকে মারার জন্য আলতাইরের হাতে হিডেন ব্লেড লাগানো থাকে এছাড়া সোর্ডের জন্য বেশ কিছু কম্বো আছে এছাড়া দূর থেকে শত্রুকে মারার জন্য থ্রোয়িং নাইফ আছে যা দিয়ে লক করা শত্রুকে দূর থেকে ছুড়ি ছুড়ে মারা যায় কামারের কাছ থেকে এসব থ্রোয়িং নাইফ চুরি করতে হয় ছোট ড্যাগার টাইপের ওয়েপনও আছে যা শর্ট কম্ব্যাটে ব্যবহার করা যায়এই গেমসটি ওপেন ট্রেক ধরণের সব দিকেই যাওয়া যায় সিটির ম্যাপ আনলক করার জন্য বিভিন্ন ঈগল টাওয়ার থেকে সিঙ্ক্রোনাইজ করতে হয় এই গেমটির সবচেয়ে ভালো দিক হল প্রায় সকল বিল্ডিং বা স্থাপনার উপর আলতাইর উঠতে পারে

গেমটি যে অসাধারণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না তবে মাঝে গেমটি বোরিং মনে হতে পারে কিন্তু এর চোখ ধাধানো ফিনিশিং গেমারকে পরের সিক্যুয়েল খেলার জন্য বাধ্য করবে এর পরের ভার্সনগুলো এর তুলনায় অনেক চমকপ্রদ হলেও প্রথম গেম হিসেবে এসাসিন্স ক্রীড অনেক সমৃদ্ধ গেমটির ending আপনাকে অবশ্যই অবাক করবে তা নিশ্চিৎভাবে বলা যায় যদি গেমটি খেলা না থাকে তবে খেলে ফেলুন এই অসাধারণ গেমটি
read more "Assassin's Creed"

রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১১

মজার একটি গেম মিনি নিনজাস (২০০৯)


 আমরা সবাই হ্যাক এন্ড স্ল্যশ একশ্যন গেম খেলে থাকি। সিরিয়াস গেম নিয়ে মেতে থাকি। কিন্তু একটু সহজ কার্টুনিস এডভেঞ্চার টাইপের একটি গেম পেলে কেমন হয়? এমন গেম যা খেলার সময় সিরিয়াস হওয়া লাগবে না বরং বোরিং সময়টা সহজেই পার হয়ে যাবে? এমন একটি গেম হচ্ছে মিনি নিঞ্জাস।
আগেই বলে রাখি যারা হাই গ্রাফিন্সের গেম খেলে অভ্যস্ত আছেন তারা গেমটি দেখে হতাশ হতে পারেন। গেমটির গ্রাফিক্স অনেকটা কার্টুনিশ কিন্তু দেখতে খারাপ তা বলা যাবে না শুধুমাত্র নিছক মজা পেতে গেমটি খেলতে পারেন। গেমটি পাব্লিশ করেছে EIDOS

গেমটির প্লট গড়ে উঠে প্রায় ৩০০ বছর পূর্বের জাপানের নিঞ্জাদের নিয়ে। নিঞ্জারা সামুরাইদের ইভল মাস্টারকে হারিয়ে তাদের ডার্ক ক্যসল দখল করে নেয়। এভাবে প্রকৃতির মাঝে ভারসাম্য ফিরে আসে। এন্সিয়েন্ট কুজি ম্যজিকের সঠিক ব্যবহার ঘটতে থাকে। কিন্তু এখন নিঞ্জা মাউন্টেইনের আসে পাশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হয়।  ঝড়, বন্যা, বৃষ্টি হিমবাহ ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখে নিঞ্জা মাস্টার বুঝতে পারেন যে প্রাকৃতিক ভারসাম্য অর্থাৎ কুজি ম্যজিকের অপব্যবহার শুরু হয়েছে। এদিকে কিছু লোক বনের পশু পাখিদের ধরে নিয়ে আটকে রাখছে ও কুজি ম্যাজিকের মাধ্যমে এদেরকে সামুরাই বাহিনী হিসেবে তৈরী করছে। নিঞ্জা মাস্টার ভারসাম্য রক্ষার জন্য তার নিঞ্জাদের নিঞ্জা মাউন্টেইন থেকে গ্রামের দিকে পাঠাতে লাগলেন। নিঞ্জারা অবস্থা দেখতে গেল কিন্তু কেউই আর ফিরে এল না। নিঞ্জা মাস্টার একে একে চার জন বিসস্থ্য নিঞ্জাদের পাঠালেন বাইরের খবর আনতে। কিন্তু তারা কেউই আর ফিরে আসল না। সর্বশেষ দুইজন নিঞ্জা হিরো আর ফুটোকে নিঞ্জা মাস্টার বাইরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন এদের উপরই থাকে পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষার মহান দায়ীত্ব।
 
এভাবে গেমটির কাহিনী শুরু হয় ও হিরো এবং ফুটো জাপানের বিস্তির্ণ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে সামুরাইদের মারতে মারতে চলতে থাকে পথের মাঝে অনেক ক্যাসল থাকে, এ সকল ক্যাসলের বসদের হত্যা করে হিরো আর ফুটো সামনের দিকে যেতে থাকে। এর মাঝে তারা অন্য সকল নিঞ্জাদের পায় ও একে একে তাদের দল ভারি হতে থাকে।

গেপ্লের কথায় আসা যাক। গেমটির একেক ক্যারেক্টার একেক ওয়েপনে পারদর্শি। হিরো কাটানা সোর্ড ব্যবহার করে থাকে। ফুটো ব্যবহার করে হ্যামার বা হাতুড়ি। সুজুমি বাশিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। তার বাশির সুরে শত্রুরা অনেক সময় মোহাচ্ছন্ন হয়ে পরে। তখন সহজে তাদের মারা যায়। এরপর আসে শন। শন তিরন্দাজ। তরা নিজেকে বাঘ মনে করে ও সে তার হাতের সাথে ইস্পাতের আড়শি লাগিয়ে নেয়। (অনেকটা এক্স ম্যান এর ওলভারিনের মত দেখতে)হিরো কুজি ম্যাজিক ব্যবহার করতে পারে। কুজি ম্যাজিক দিয়ে অন্য প্রানীকে নিয়ন্ত্রণ করা, অন্যান্য ম্যাজিক খুজে বের করা, আগুনের গোলা শত্রুদের দিকে ছুড়ে মারা, সময় নিয়ন্ত্রণ করা ইত্যাদি করতে পারে। এছাড়া আরো অনেক রকমের ম্যাজিক আছে। এছাড়া সুরিকেন, বিভিন্ন প্রকারের বোম্ব, আর বিভিন্ন ধরণের পোসন কিনতে বা বানানো যায়। কোন পোশন হেলথ লাইন বৃদ্ধি করে আবার কোন পোশন ম্যাজিক বৃদ্ধি করে। সকল নিঞ্জাদেরই একটা খড়ের হ্যাট থাকে যা অন্যদের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে কিংবা নদী পার হউয়ার জন্য নৌকা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সর্বোপরি গেমটি আমার কাছে ভালো লেগেছে। প্রাচীন জাপানের নিঞ্জাদের নিয়ে খেলতে খেলতে আপনিও হারিয়ে যেতে পারেন তাদের রাজ্যে। যদি না খেলে থাকেন তাহলে খেলে ফেলুন এই সুন্দর গেমটি।
একনজরে মিনি নিঞ্জাস গেমসঃ

developer: IO Interactive
publisher: Square-Enix / Eidos
genre: arcade / adventure | action / fighting
platform: PC / Windows

release date: World: 08 September 2009
USA: 08 September 2009
Europe: 11 September 2009





play modes: single player
game language: English
age requirements: everyone  |  media: 1 DVD
suggested system requirements:
Core 2 Duo 2.6 GHz, 2 GB RAM, graphic card 128 MB (GeForce 6600 or better), 5.85 GB HDD, Windows XP/Vista.

read more "মজার একটি গেম মিনি নিনজাস (২০০৯)"

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ